আনিসুলের কাছে ১৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে হেরেছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল
০১ জানুয়ারী ২০২৬ ০১:২৬ মিনিট
তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান একনিষ্ঠ বিএনপি নেতা, প্রবীণ ব্যক্তি আলাউদ্দিন আলাইকে মারধোর করে আলোচনায় আসেন কামরুল। ওই সময় আলাউদ্দিনের ছোটভাই তাহিরপুরের প্রভাবশালী চেয়ারম্যান মরহুম জয়নাল আবেদীনের বিরোধী উপজেলার প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতাদের সহযোগিতায় কামরুল এলাকায় ধীরে ধীরে সন্ত্রাসী প্রকৃতির মনোভাব নিয়ে ত্রাসের রাজনীতি শুরু করে।
রাজনীতির কৌশলগত কারনে তৎকালীন বিএনপির জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী এমপি নজির হোসেন তাকে তাহিরপুর উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি করেন। যদিও তার কোনো ছাত্রত্ব ছিল না। অভিযোগ আছে তার দাখিল সার্টিফিকেটও সঠিক নয়।
২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন ছাত্রলীগ নেতা শিপলু হত্যা মামলায় তৎকালীন তাহিরপুর থানার ওসিসহ কামরুল, উজ্জ্বল, জুনাব আলী, শাজান, শাহীন আসামী হয়। ২০০৭ সালে ওয়ান ইলেভেনে সময় কামরুল দেশ ছাড়ে বিদেশে পালিয়ে যায়। দেশে এসে কামরুল শিপলু হত্যা মামলায় গ্রেফতার হন। জেল থেকে ছাড়া পেয়ে উপজেলা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে।
ওই নির্বাচনে আনিসুল হক ২২ হাজারের বেশি ভোট পেয়ে তাহিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কামরুল ভোট পায় ৭ হাজারের মতো। আনিসুল হক, কামরুল থেকে ১৫ হাজার ভোট বেশি পেয়ে তাহিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। উপজেলা নির্বাচনে ফেল করে কামরুল আবারও দেশ ছাড়ে। নেতৃত্বহীন সুনামগঞ্জ-১ আসনে জুড়ে আনিসুল ব্যাপকভাবে দলীয় কার্যক্রম জোরদার করেন।
একইসাথে তিনি নিজেকে এমপি প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেন। ২০১৪ সালে এমপি নির্বাচনে একমাত্র দলীয় প্রার্থী ছিলেন আনিসুল হক। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগের আমলে রাষ্ট্রীয় পরিস্থিতি স্বাভাবিক প্রবাস থেকে এসে শিপলু হত্যা মামলায় আবার গ্রেফতার হন। জামিনে বের হয়ে দেশে থেকে বিএনপির রাজনীতিতে আবারও সক্রিয় হন। এবং নিজেকে এমপি প্রার্থী ঘোষণা করেন।